জলঢাকায় বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে জমি দখলের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে ভূমিদর্শ্যূরা - The Daily News Paper Pratidin

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads

Thursday, January 31, 2019

জলঢাকায় বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে জমি দখলের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে ভূমিদর্শ্যূরা

 
দৈনিক পোপর প্রতিদিন (বৃহস্পতিবার ৩১ জানায়ারী ২০১৯ ১২:০৪ )
আব্দুল মালেক, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে জমি দখলের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে কতিপয় লোকের বিরুদ্ধে । নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ইউনিয়নের খেরকাটি বাজার এলাকার মৃত নছির উদ্দিনের ছেলে মমিনুর রহমান (মমু) (৫৫) গংদের বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে জমি দখলের ষড়যন্ত্র চলছে বলে জানিয়েছে তার পরিবারের লোকজন । 

জন্ম-লগ্ন থেকে পৈতৃক জমিতে বসবাস করে আসছে মৃত নছির উদ্দিনের পুত্রদয়রা । নছির উদ্দিন তার ৫ ছেলে, ১ টি কন্যা ও স্ত্রী মরিয়ম বেওয়াকে রেখে তিনি মৃত্যুবরন করেন । সন্তানরা লেখাপড়া না জানায় প্রতিবেশীদের বাড়িতে দিন-মজুরীর কাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে । তারা জানতেন না তাদের পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি রয়েছে । দিনমজুরী কাজের একটু একটু করে জমানো টাকা দিয়ে বিভিন্ন অফিসে দৌড়ঝাঁপ দিতে গিয়ে বেরিয়ে পরে থলের বিড়াল । তারা সপ্নেও ভাবে নি পিতার রেখে যাওয়া দলিলভুক্ত বিত্বসহ মোট (৫.০৮), পাঁচ একর আট শতক জমি । 

১৯৫৫ সালে ১১৪০ নং দলিল মূলে ক্রয় করিয়া ভোগদখল করেছিলেন । নছির উদ্দিন বেঁচে থাকাকালীন মনমোহন,শ্বশী ভুষেন, দেবেন্দ্রনাথ ও রমেশচন্দ্রের নিকট এই জমিগুলো রেজিস্ট্রেশন কৃত দলিল মূলে ক্রয় করে ভোগদখল করিয়া আসেন ।  

নছির উদ্দিনের ছোট দুই ভাই, মৃত সামছুদ্দিন ও ছলেমান আলীর জন্মের আগেই এই জমি মনমোহন, শ্বশী ভুষেন, দেবেন্দ্রনাথ ও রমেশচন্দ্রের নিকট থেকে ০৭/০২/১৯৫৫ সালে রেজিস্ট্রেশনকৃত ১১৪০ নং দলিল মূলে ক্রয় করে ভোগদখল করিয়া আসেন । একক সংসারে থাকাবস্থায় ১৯৮৭ সালে নছির উদ্দিনের মৃত্যুর পরে ছোট ভাই সামছুদ্দিন ও ছলেমান আলী সংসার দেখাশুনা করে । নছির উদ্দিনের সন্তানেরা নাবালক/নাবালিকা থাকায় পিতার জমিজমা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না । 

তাদেরকে দিয়ে সংসারের যাবতীয় কাজ কর্ম করাতেন চাচা সামছুদ্দিন ও ছলেমান আলী । এ ভাবে চলতে থাকলে  পিতার স্বাক্ষর জাল করে  ১৯৭৫ সালে রেজিষ্ট্রিকৃত ৫৩৩৭/৭৫ নং ভুয়া দলিল তৈরি করে মালিকানা দাবীতে ভোগদখল করিয়া আসে কছমুদ্দিন ও ছলেমান আলী। 

নছির উদ্দিনের ওয়ারিশগন, ছেলে মৃত ইমান আলী, মমিনুর রহমান, আমিনুর রহমান, জমিনুর রহমান শাহিনুর রহমান ও কন্যা সন্তান কহিনুর বেগম এবং স্ত্রী মরিয়ম বেওয়া, জানতে পেরে কছমুদ্দিন ও ছলেমান আলীর ওয়ারিশগনের বিরুদ্ধে সহকারী জজ আদালত নীলফামারীতে গত ১৩/০১/২০০৯ সালে মামলা দায়ের করেন ।
বর্তমানে মামলা চলমান আছে। 

মামলা চলাকালীন সময়ে সামছুদ্দিন ও ছলেমান আলীর ওয়ারিশগন ভুয়া জাল দলিল দেখিয়ে বিভিন্ন জনের কাছে জমি বিক্রী করার অভিযোগ উঠেছে । এমনকি বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে জমি দখলে নেয়ারও ষড়যন্ত্র চলছে । এ ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেতে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় বিচারের দাবি জানান এই ভুক্তভোগী পরিবারের সবাই । 

No comments:

Pages